নিবন্ধন আবেদনকারী (বোরো-২৬)

145385 জন

অপেক্ষমান নিবন্ধন আবেদনকারী (বোরো-২৬)

16837 জন

অনুমোদিত কৃষক (বোরো-২৬)

126890 জন

সর্বমোট অনুমোদিত কৃষক

1140860 জন

মোট ধান বিক্রয়ের আবেদন (বোরো-২৬)

231681 টি

ধান বিক্রয়ের আবেদন অপেক্ষমান (বোরো-২৬)

10716 টি

ধান বিক্রয়ের আবেদন অনুমোদন (বোরো-২৬)

220169 টি

কৃষকের সমস্যার সকল সমাধান এক অ্যাপে

স্মার্টফোনে ব্যাবহারোপযোগী এপ্লিকেশন থেকে একজন কৃষক খুব সহজেই সেবাগুলো পাবেন অ্যাপ ব্যবহার করে তাৎক্ষণিকভাবে নিবন্ধন, বিক্রয়ের আবেদন, বরাদ্দাদেশ এবং WQSC সম্পর্কে সর্বশেষ তথ্য পাওয়া যাবে।

ধান বিক্রির আবেদন করুন অ্যাপ এর মাধ্যমে

বর্তমান সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার সরকারি সেবা জনগণের দোরগোড়ায় থেকে হাতের মুঠোয় নিয়ে যাওয়া। সে লক্ষ্যে কৃষকের অ্যাপ নামে একটি মোবাইল অ্যাপ বানানো হয়েছে।

App Screen
Google Play
union-based-image
ইউনিয়ন ভিত্তিক কৃষকের তালিকা

প্রতিটি ইউনিয়নের উপজেলা কৃষি অফিস কর্তৃক গৃহীত কৃষকের তালিকা এখন সবার জন্যে উম্মুক্ত। বিস্তারিতে ক্লিক করে আপনি বিভাগ, জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন নির্বাচন করে দেখেনিতে পারেন সেই ইউনিয়নের গৃহীত কৃষকের তালিকা।

বিস্তারিত
lottery-based-image
লটারিতে নির্বাচিত কৃষকের তালিকা

প্রতিটি ইউনিয়নের কমিটি কর্তৃক লটারীর মাধ্যমে গৃহীত কৃষকের তালিকা এখন সবার জন্যে উম্মুক্ত। বিস্তারিতে ক্লিক করে আপনি বিভাগ, জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন নির্বাচন করে দেখেনিতে পারেন সেই ইউনিয়নের গৃহীত কৃষকের তালিকা।

বিস্তারিত

প্রয়োজনীয় তথ্য জিজ্ঞাসা

খাদ্যশস্য সংগ্রহ ব্যবস্থাপনা সিস্টেম হল একটি ওয়েব/অনলাইন ভিত্তিক সুরক্ষিত প্লাটফরম যেখানে কৃষক / চালকল মালিকগণ ঘরে বসেই ধান - চাল জমা দেওয়ার আবেদন করতে পারবেন। অধিকন্তু, আবেদনপত্র মঞ্জুরসহ সিএসডি/এলএসডি তে ধান - চাল জমা দেওয়া পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়ে SMS মেসেজের মাধ্যমে করণীয় সম্পর্কে জানতে পারবেন। এ সিস্টেমের মাধ্যমে খাদ্য অধিদপ্তর চলতি মৌসুমের যে কোন অবস্থায় দেশব্যাপী সিএসডি/এলএসডি তে জমাকৃত ধানের - চালের পরিমাণ এবং লক্ষ্যমাত্রা পূরণের ক্ষেত্রে ঘাটতির পরিমাণ ড্যাশবোর্ডের মাধ্যমে তাৎক্ষনিক ভাবে দেখতে পারবেন। এছাড়াও রয়েছে সিস্টেম কর্তৃক জাতীয় ক্রয় লক্ষ্যমাত্রাকে বিভাজন করে প্রত্যেক কৃষক / চালকল মালিক থেকে ধান - চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ভুলভাবে নির্ণয় করার সুবিধা। আশা করা যায় এ সিস্টেমটি পূর্নাঙ্গভাবে চালু করা গেলে খাদ্যবান্ধব দেশ হিসেবে আমরা আরো এগিয়ে যাব।
সেবা নেওয়ার জন্য কৃষক / চালকল মালিককে কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করতে হয় - নিবন্ধন (ই-সার্ভিস বাসের সহায়তায় জাতীয় পরিচয়পত্র ডাটাবেসের সাথে যাচাই করা হয়) --> EoI দাখিল --> চুক্তিবদ্ধ হওয়া --> ধান - চাল সরবরাহ। মৌসুমের শুরুতেই জেলা খাদ্য অফিস থেকে SMS এর মাধ্যমে কৃষক / চালকল মালিককে অবহিত করা হবে। নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে কৃষক / চালকল মালিক উপজেলা খাদ্য অফিসে EoI দাখিল করবেন। যাচাই-বাছাই করে তা ইলেক্ট্রনিক উপায়ে জেলা খাদ্য অফিসে পাঠানো হবে। জেলা খাদ্য অফিস কর্তৃক চূড়ান্ত ভাবে গ্রহণযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হলে কৃষক / চালকল মালিককে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার জন্য অবহিত করা হবে। চুক্তি অনুযায়ী কৃষক / চালকল মালিককে নির্দিষ্ট সিএসডি/এলএসডি তে কিস্তিতে ধান - চাল জমা দিতে হবে। সিএসডি/এলএসডি থেকে ধান - চাল জমাদানের তথ্য সিস্টেমে আপডেট করা হবে। ফলে খাদ্য অধিদপ্তর ধান - চাল সংগ্রহের প্রকৃত চিত্র যে কোন সময় দেখতে পারবেন।
ঘরে বসেই নিবন্ধন এবং EoI আবেদন দাখিল করতে পারবেন গুদামে ধান - চাল জমা দেওয়া পর্যন্ত বিভিন্ন ধাপে SMS বার্তা পাবেন সিস্টেম কর্তৃক জাতীয় ক্রয় লক্ষ্যমাত্রা নিখুঁতভাবে কৃষক পর্যন্ত বিভাজনের সুবিধা EoI দাখিল থেকে ধান - চাল জমাদান পর্যন্ত বিভিন্ন তথ্য ও অবস্থা ওয়েব/SMS এর মাধ্যমে জানা যাবে ন্যুনতম সংখ্যক ভিজিটের মাধ্যমে সেবা প্রাপ্তির বাকি কাজ সম্পন্ন করতে পারবেন বিদ্যমান ম্যানুয়াল পদ্ধতির জটিলতা ও দীর্ঘসূত্রিতা থেকে মুক্তি পাবেন